কে অন্যকন্যা?

অন্যকন্যা!

‘অন্যকন্যা’ কোনো রূপের হাটের ফেরিওয়ালা নয়, নয় কোনো রঙপালিশের মিস্ত্রী। ‘অন্যকন্যা’ একই সাথে রূপশিল্পী ও সৌন্দর্যবিজ্ঞানী। ‘বিউটি পার্লার’ বা সৌন্দর্যবিপণিগুলো যে আজকাল সাজের উপকরণ আর সাজানোর গৎ বাঁধা ব্যাকরণ মিলিয়ে সব নারীকে কারখানার ছাঁচে ঢালা রঙ-করা পুতুল বানিয়ে তোলে - ‘অন্যকন্যা’ এই পুতুল তৈরির কারিগর নয়। ‘অন্যকন্যা’ বিশ্বাস করে সৃষ্টিকর্তার রূপবৈচিত্র্যে। সৃষ্টজগতে প্রতিটি মানুষ আলাদা। চেহারায়, ব্যক্তিত্বে, স্বভাবে, রুচি ও চালচলনে প্রতিটি মানুষ ‘অন্যরকম’। কলের পতুল সব একরকম, কিন্তু মানুষ প্রত্যেকেই অন্যরকম। প্রতিটি মেয়ে তাই অন্য মেয়ে - অন্য কন্যা!

নারীর সৌন্দর্য মানে ফর্সা ত্বক, বড় চোখ, খাড়া নাক, দীঘল কালো চুল -এসব নয়। মুখাবয়বের গঠন বা রঙ কখনো প্রকৃত সৌন্দর্যের মাপকাঠি হতে পারে না। নিজস্বতা, অন্তর্গত রূপ, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য - সব মিলিয়েই নারীর রূপ, নারীর সৌন্দর্য। চেহারার মৌলিকতার সাথে অন্তর্গত রূপের উদ্ভাস ঘটলেই স্বকীয় রূপে নারী অনন্য হয়ে উঠবে। ‘অন্যকন্যা’ নারীর এই স্বকীয় সৌন্দর্যের অনুসন্ধানী। বিজ্ঞানীর মতই অনুসন্ধিৎসা নিয়ে ‘অন্যকন্যা’ আবিষ্কার করে প্রত্যেক নারীর স্বকীয় সৌন্দর্য, প্রত্যেকের নিজের রূপ। তারপর শিল্পীর মগ্নতা আর নান্দনিক চেতনা দিয়ে ফুটিয়ে তোলে সেই রূপ।

‘অন্যকন্যা’র আয়নায় নারী অবাক হয়ে দেখবে, সে সত্যিই আলাদা, অন্য কন্যা!

‘অন্যকন্যা’য় আসুন, শৈল্পিক সাজে ফুটে উঠতে দিন আপনার সত্যিকারের রূপ।

সক্রেটিস যেমন বলেছেন, নো দাইসেলফ - নিজেকে চেনো, তেমনি ‘অন্যকন্যা’ও বলে, নিজেকে চিনুন, নারী, নিজেকে দেখো, মেয়ে!